রবিবার রাত ১টা নাগাদ আগুন লাগে আনন্দপুরের একটি গোডাউনে। দগ্ধ গোডাউন থেকে এখনো পর্যন্ত ৩টে পোড়া কঙ্কাল এবং ১৬ টি ঝলসে যাওয়া দগ্ধ দেহাংশ উদ্ধার হয়েছে! পুলিশের খাতায় নিখোঁজের সংখ্যা ২৩! মৃতেরর সংখ্যা বাড়তে পারে আরও। মঙ্গলবার মধ্যরাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে গোডাউন মালিক গঙ্গাধর দাসকে। তাঁর গোডাউনে অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ছিল না বলে অভিযোগ উঠছে। এছাড়াও জানা যাচ্ছে, জলাশয় বুঝিয়ে সেই গোডাউন তৈরি হয়। কিভাবে তা হল, কেন সেখানে ফায়ার অডিট হয়নি – তা নিয়ে বিস্তর অভিযোগ উঠছে। এবার আনন্দপুরের এই অগ্নিকাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মৃতদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতি করুন এবং পরিবারের একজন সদস্যকে সিভিকে চাকরি দেবে রাজ্য সরকার, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর। সিঙ্গুরের সব থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন “কাল আমাদের কিছু বন্ধু প্রাইভেট কোম্পানিতে কাজ করতে গিয়ে মারা গিয়েছেন। আমি ববিকে পাঠাই , অরূপ কে পাঠাই।” এছাড়াও তিনি বলেন “মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে। মোমো কোম্পানি ও ডেকোরেটর্স কোম্পানি ৫ লক্ষ টাকা করে দিচ্ছে। পুলিশকে বলেছি মৃতদের পরিবারের একজনকে সিভিকে চাকরি দেওয়ার জন্য।” রবিবার রাতে ১টা নাগাদ আগুন লাগে। প্রায় ১৫ ঘণ্টা পর সেখানে পৌঁছন বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং ৩২ ঘন্টা পর পৌঁছন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। এই ঘটনায় সুজিত বসুর পদত্যাগ দাবি করেছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এই ক্ষতিপূরণ ঘোষণা নিয়ে রাজ্য সরকারকে খোঁজা দিয়েছেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। তাঁর বক্তব্য “আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয়নি, খুন করা হয়েছে। তিনি বলেন “এই সমস্ত গরিব মানুষের মৃত্যুর দাম ৫ লক্ষ ১০ লক্ষ টাকায় নির্ধারণ করা হচ্ছে। তা না করে শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। কি করে এত বড় বেআইনি কারবার গড়ে উঠলো? কার অনুমতি নিয়ে?”
New Bengal Times। Edited by: Priti Karmakar
Jan 28, 2026






