শুক্রবার ভোররাতে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে লিফটে আটকে মৃত্যু হয় অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় নামের এক ব্যাক্তির। সেই ঘটনায় উঠে এলো এক ভয়ঙ্কর ময়নাতদন্ত রিপোর্ট। সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী শুক্রবার ভোর ৪টে ১২ মিনিটে শেষবার ওটির সামনে দেখা গিয়েছিল অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এরপর ৫টা ১৫ মিনিটে তাঁকে যখম অবস্থায় উদ্ধার করে ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হয়। এই ৫৭ মিনিটেই ঘটে যায় ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। জানা গেছে, ভোর ৪টে ১৫ নাগাদ শিশুসন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে লিফটে উঠেছিলেন অরুপবাবু। সেই সময় লিফটে কোন কর্মী ছিলেন না। অভিযোগ, লিফট যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বারবার ওঠানামা করতে থাকে এবং তীব্র ঝাঁকুনি দেয়। অরূপবাবুর স্ত্রী ও সন্তান কোনো রকমে বেরিয়ে আসতে পারলেও তিনি ভেতরেই আটকে পড়েন। লিফটি আচমকা বেসমেন্টে নেমে এলেই তিনি আটকে যান দেওয়াল ও লিফটের মাঝে। \

ময়নাতদন্ত রিপোর্ট তদারকি করেছেন আরজি কর হাসপাতালের উপাধ্যক্ষ সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায়। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী , অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের শরীরে মোট ২৫ টি আঘাত পাওয়া গেছে। প্রচন্ড চাপের ফলে তার হৃদপিণ্ড, ফুসফুস ও লিভার ফেটে গিয়েছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় যাকে বলা হয় পলিট্রমা এবং মাল্টি অর্গান র্যাপচার্ড এন্ড ফেলিওর। এছাড়াও তার হাত , পা এবং পাঁজরের হাড় ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে। অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণই মৃত্যুর মূল কারণ বলে প্রাথমিক অনুমান। তবে লিফটি পরিচালনার ক্ষেত্রে কোন গাফিলতি ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখতে ফরেন্সিক ও পুলিশি তৎপরতা শুরু হয়েছে।
New Bengal Times। Edited by: Priti Karmakar
Mar 21, 2026






