ইরানের এক সংবাদ সংস্থা মেহরের তথ্য মতে, মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালীর নিকটবর্তী গুরুত্বপূর্ণ তিন রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া সময়সীমার কয়েক ঘন্টা আগেই এই হামলা চালানো হলো। যার মধ্যে তেহরানকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে একটি যুদ্ধ বিরতি চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে। অন্যদিকে, একজন ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে অ্যাক্সিওস জানিয়েছে যে, মার্কিন সামরিক বাহিনী দ্বীপটিতে থাকা সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

ট্রাম্প একাধিকবার দ্বীপটিতে বোমা হামলা বা তা দখল করার হুমকি দিয়েছেন। ৩০ মার্চ ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, “আমরা ইরানের সমস্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, তেল কূপ এবং খার্গ দ্বীপ (এবং সম্ভবত সমস্ত লবণাক্ত পানি পরিশোধন কেন্দ্রও) উড়িয়ে দিয়ে ও সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে সেখানে আমাদের এই মনোরম অবস্থান এর ইতি টানবো।” এর আগেও ফিনান্সিয়াল টাইমস কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছিলেন, “হয়তো আমরা খার্গ দ্বীপ দখল করব, হয়তো করব না। আমাদের হাতে অনেকগুলো বিকল্প আছে।” সোমবার ট্রাম্প বলেছেন যে তিনি ইরান সরকারের ওপর ক্ষুব্ধ এবং এর জন্য তাদের বড় মূল্য দিতে হবে। ইসরাইলি সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে তারা মঙ্গলবার ইরান জুড়ে অবকাঠামো গত স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা সম্পন্ন করেছে। তবে স্থাপনা গুলো কি ছিল তা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। বিবৃতিতে বলা হয়েছে,” কিছুক্ষণ আগে আইডিএফ ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলে ইরানি সন্ত্রাসী শাসনের কয়েক ডজন অবকাঠামো লক্ষ্য করে একটি ব্যাপক হামলা সম্পন্ন করেছে।”
Bengali Times। Edited by: Priti Karmakar
Apr 07, 2026






