তাইওয়ানকে ঘিরে বেজিঙ্গের সঙ্গে টানাপোড়েনের আবহে নতুন কৌশলগত পদক্ষেপ করল টোকিয়ো। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সরকার বৃহস্পতিবার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ফিলিপিন্সের এর সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা চুক্তি সই করেছে। ফিলিপিন্সের রাজধানী ম্যানিলায় স্বাক্ষরিত অ্যাকুইজিশন এবং ক্রস সার্ভিসিং এগ্রিমেন্ট শীর্ষক ওই চুক্তিতে যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণ এবং আপৎকালীন পরিস্থিতিতে গোলাবারুদ, জ্বালানি ,খাদ্য এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষা ও চিকিৎসা সরঞ্জামের করমুক্ত বিনিময়ের কথা বলা হয়েছে। জাপানি প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি মাস কয়েক আগে বলেছিলেন, চীন যদি তাইওয়ান কব্জা করার চেষ্টা করে, তবে তারাও চুপ করে বসে থাকবে না। এরপরই চীন সরাসরি যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। চুক্তি সইয়ের পরে জাপানের বিদেশ মন্ত্রী তোশিমিতসু মোতেগী এবং ফিলিপিন্সের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা লাজারো এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন “জরুরী পরিস্থিতিতে আমরা একে অপরের পাশে দাঁড়াবো।”

তাইওয়ানের নিরাপত্তার স্বার্থে ২০২৪ সালে সামরিক জোট স্কোয়াড গঠন করেছে আমেরিকা। জাপান ও ফিলিপিন্স , দুই দেশই তার সদস্য। ফিলিপিন্স ও চিনের বিরোধ দক্ষিণ সাগরের সেকেন্ড থমাস শোলে দ্বীপকে কেন্দ্র করে। ফিলিপাইন দ্বীপের পালাওয়ান থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ওই দ্বীপে ১৯৯৯ সালে ফিলিপাইন নৌবাহিনী দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার একটি জাহাজে অস্থায়ী নৌঘাঁটি বানিয়ে অবস্থান নিয়েছিল প্রায় ২ দশক আগে। এরপরে ২০১২ সালে ফিলিপিন্স এর কাছ থেকে স্কারবারো শোলে দ্বীপের দখল নিয়েছিল চিনা পিপলস্ লিবারেশন আর্মি। যা নিয়ে দুই দেশের যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।
New Bengal Times। Edited by: Priti Karmakar
Jan 16, 2026






