রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে মধ্যস্থতার জন্য আমেরিকা আলোচনায় বসেছিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতেই। কূটনৈতিক স্তরে আমেরিকার অন্যতম বন্ধুরাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। অনেকেই মনে করছেন আমেরিকা যদি ইরানে হামলা চালানোর কোন পরিকল্পনা করে, তবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি কে ব্যবহার করা কৌশলগতভাবে সুবিধা জনক হবে পেন্টাগণের কাছে। কারণ, ইরান এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির ভূখণ্ড বিভক্ত হয়েছে পারস্য উপসাগর, হরমুজ প্রণালী এবং ওমান উপসাগর দিয়ে। এই পরিস্থিতিতে সোমবারই বিবৃতি জারি করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিদেশ মন্ত্রক। তারা জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে কোনরকম সামরিক পদক্ষেপ তাদের ভূখণ্ড, আকাশসীমা এবং জলসীমা ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে কোনো রকম সহযোগিতাও করা হবে না।

সম্প্রতি, ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলী খামেনেইয়ের বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভে প্রকাশ্যে সমর্থন জুগিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর ফলে আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে আবারও। গত বছরের মত ফের ইরানে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা, এমন আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে পশ্চিমে এসে পৌঁছে গিয়েছে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন। পশ্চিম এশিয়ায় পৌঁছতেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিল আমেরিকার বন্ধু সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। তাদের ভূখণ্ড, আকাশ বা জলসীমা ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে কোনরকম সামরিক অভিযান চালানো যাবে না বলেই সোমবার স্পষ্ট করে দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি।
New Bengal Times। Edited by: Priti Karmakar
Jan 27, 2026






