আসানসোল, দুর্গাপুর বেল্টে অবৈধ কয়লা উত্তোলন, পরিবহন এবং বৈধ কয়লা খনি থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগে মঙ্গলবার দুই ব্যক্তি – চিন্ময় মন্ডল এবং কিরণ খানকে গ্রেফতার করেছে ইডি। সন্ধান মিলেছে ১৭০ কোটি টাকার। অবৈধ কয়লা খনির এই মামলায় প্রধান সন্দেহভাজন অনুপ মাঝি ওরফে লালা-র অধীনে কাজ করত বলে অভিযোগ। এজেন্সির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাদের বক্তব্যে একাধিক অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। ইডির আইনজীবী ভাস্কর প্রসাদ ব্যানার্জি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার কলকাতার বিশেষ পিএমএলএ আদালতে হাজির করা হয় এবং ১০ দিনের জন্য ইডি হেফাজতে পাঠানো হয়। সিআইএসএফ এবং ইস্টার্ন কোলফিল্ডের কর্মকর্তাদের ৫০টিরও বেশি এফআইআর এর উপর ভিত্তি করে মামলাটি তদন্ত করে ইডি কর্মকর্তারা দেখতে পান যে, বৈধভাবে উত্তোলিত প্রতিটি কয়লা ট্রাকের উপর একটি অবৈধ শুল্ক ব্যবস্থা আরোপ করা হয়েছিল। এরপর ওই অর্থ একটি সিন্ডিকেটের কাছে যায় এবং পরে সহযোগীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। ইডি কর্মকর্তারা অন্যদের জড়িত থাকার বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

মাসের শুরুতে, ইডি কর্মকর্তারা ধৃত দুজনের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে নগদ টাকা এবং গয়নার উদ্ধার করেন। ইডির কর্মকর্তারা বুদবুদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতেও তল্লাশি চালান। ইডি সূত্রে খবর , চিন্ময় ২০১৮ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ৬৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিলেন। যেখানে কিরণ, এই সময়কালে আসানসোল-দুর্গাপুর কয়লা খনি এলাকায় বেশ কয়েকটি অবৈধ অভিযানের মাধ্যমে প্রায় ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিলেন।
New Bengal Times। Edited by: Priti Karmakar
Feb 11, 2026






