জার্মানির ডুইসবার্গ শহরের একটি গুরুদ্বারের ভেতরে একদম শিখ উপাসকের সঙ্গে রক্তক্ষয় সংঘর্ষের জেরে সহিংস বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। যেখানে হামলায় কিরপান , ছুরি ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়। এই সংঘর্ষে অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। সমাজ মাধ্যমে ঘটনাটির ভিডিও ক্লিপ প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে উপাসনালয়ের ভেতরে দুটি দলের সদস্যরা একে অপরকে আক্রমণ করছে। ভিডিও ফুটেজটিতে উদ্বেগজনক দৃশ্য রয়েছে। যেখানে সংঘর্ষের সময় ব্যক্তিদের ছুরি ও কিরপানের মত ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করতে দেখা যাচ্ছে।

আসল ঘটনাটি কি ?
বিলের প্রতিবেদন অনুযায়ী এই সংঘর্ষে প্রায় ৪০ জন জড়িত থাকায় পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা শুরু করে। যার মধ্যে বিশেষ কৌশলগত ইউনিট মোতায়েন করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানটির ভেতরে ধারালো অস্ত্রের পাশাপাশি পেপার স্প্রে, এমনকি আগ্নেয়াস্ত্রও ব্যবহার করা হয়েছিল। সহিংসতার সঠিক কারণ এখনো তদন্তাধীন। তবে পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে যে, এই বিরোধটি নতুন পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। এছাড়া গুরুদ্বারের তহবিল নিয়ে মতবিরোধের কারণেও এই সংঘাত ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে। যেখানে একাধিক গোষ্ঠী এর নিয়ন্ত্রণের দাবি করছে। সোমবারের ঘটনাটির প্রত্যক্ষদর্শী ৫৬ বছর বয়সী এক ধর্ম সভার সদস্য জানিয়েছেন, “এটা নিশ্চয়ই পরিকল্পিত ছিল। প্রার্থনা শুরু হওয়ার কিছুক্ষন আগে হামলাকারীরা হঠাৎ করে তাদের প্রতিপক্ষের ওপর পেপার স্প্রে ব্যবহার করে। এরপর তাদের একজন পিস্তল থেকে গুলি চালায়। আমি ছুরিও দেখেছি।” তিনি আরো জানিয়েছেন যে প্রাক্তন ও বর্তমান বোর্ড সদস্যদের মধ্যে উত্তেজনা দীর্ঘদিন ধরে বাড়ছিল যার মূল কারণ ছিল মন্দিরের তহবিল ও কর্তৃত্বের নিয়ন্ত্রণ। তাঁর কথায়, “যখন হামলা শুরু হয় তখন আতঙ্কে অনেকেই পালিয়ে যায়। পরিস্থিতি আরো অনেক খারাপ হতে পারতো। সৌভাগ্যবশত কারো জীবন বিপন্ন হয়নি।” জানা গেছে সংঘর্ষে আহত ১১ জন এবং প্যারামেডিক, ও একজন জরুরী চিকিৎসক ঘটনাস্থলেই তাদের চিকিৎসা দেন।
Bengali Times। Edited by: Priti Karmakar
Apr 21, 2026






