বেলডাঙায় অশান্তির সূত্রপাত হয় শুক্রবার সকালে। বেলডাঙার সুজাপুর কুমারপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা আলাউদ্দিন শেখ ঝাড়খণ্ডে ফেরিওয়ালার কাজ করতেন। বৃহস্পতিবার সকালে গ্রামে তার মৃত্যুর খবর এসে পৌঁছায়। ঘর থেকে তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রামবাসীদের দাবি যুবককে পিটিয়ে খুন করার পর তার দেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার ওই পরিচয় শ্রমিকের দেহ গ্রামে ফেরে এবং শুরু হয় বিক্ষোভ।
১২ নম্বর জাতীয় সড়ক এবং রেল অবরোধ করা হয়। শুক্রবার প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা ধরে অবরোধ চলে। ভাঙচুর চলে রেলগেটে, ভাঙ্গা হয় পুলিশের গাড়িও। চরম ভোগান্তির শিকার হন হাজার হাজার যাত্রী।

বিহারে জেলার আরো এক পরিযায়ী শ্রমিককে মারধর করার অভিযোগ তুলে শনিবার বেলডাঙায় আবারো বিক্ষোভ করেন কয়েকশো মানুষ। অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক। সাধারণ মানুষের সাথেই আহত হন সাংবাদিকেরাও। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের প্রায় ১২ জন কর্মী নিহত হন ঐদিন। বেলডাঙার পরিস্থিতি সামাল দিতে সেখানে অতিরিক্ত বাহিনী অর্থাৎ আরপিএফ আরপিএসএফ পাঠানো হচ্ছে। মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল সংখ্যক পুলিশও।
New Bengal Times। Edited by: Priti Karmakar
Jan 18, 2026






